Sunday , 22 January 2017
Home / Life style / ছেলেদের জানা জরুরীঃ মেয়েদের দেহের যে ১০টি অংশ স্পর্শ করলে পাগল হয় সহবাস করার জন্য

ছেলেদের জানা জরুরীঃ মেয়েদের দেহের যে ১০টি অংশ স্পর্শ করলে পাগল হয় সহবাস করার জন্য

বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন

Loading...

১. চুলঃ প্রথমেই এই হেডিং পড়ে আমাকে সবাই পাগল ঠাউরাতে পারেন; বিশেষ করে ছেলেরা বলতে পারে, আরে ধুর! চুল আবার সেক্সী হল কবে থেকে! কিন্ত হ্যা, ছেলেদের চুল ও এরগোড়ার ত্বক তাদের অন্যতম একটা স্পর্শকাতর অংশ। তবে এরজন্য প্রয়োজন বিপরীত লিঙ্গের স্পর্শ। ছেলেদের ঘনচুল মেয়েদের কাছে সরাসরি যদি নাও হয়, অবচেতন মনে বেশ আকর্ষনীয় (যাদের মাথায় টাক তাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি)।একটা ছেলেকে আদর করতে হলে মেয়েটি তার নরম হাতদিয়ে তার চুলে খেলা করে তার মাঝে সূক্ষ যৌনানুভুতি জাগিয়ে তুলতে পারে। ছেলেটির চুলের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে মেয়েটিপরোক্ষভাবে ছেলেটির প্রতি তার ভালোবাসার সূক্ষ আবেদনছড়িয়ে দিতে পারে। সেক্সের সময় ছেলেটি মেয়েটিকেআদর করার সময় তার চুল টেনে ধরে মেয়েটি তাকে আরোগভীরভাবে আদরের জন্য উৎসাহ দিতে পারে। যেসবছেলের চুল কম বা টাক তাদের Scalp (চুলের গোড়ার ত্বক) এমেয়েদের হাত বুলিয়ে দেয়া, চুমু খাওয়া, জিহবা ছোয়া বেশArousing হতে পারে। ছাড়া শুধু যৌনতাই নয় ছেলেটি যখনমেয়েটির বুকে মাথা গুজে তার থেকে একটু উষ্ঞ ভালোবাসারপরশ খুজে, তখন তার চুলে মুখ লুকিয়ে আদর করে মেয়েটিওতার ভালোবাসায় সারা দিতে পারে।

যৌন শক্তি বাড়ানোর ঔষধ নিয়ে কিছু কথা, জেনে নিন সারা জীবন কাজে লাগবে

1

২. কানঃ অনেক ছেলেরই কান বেশ স্পর্শকাতর একটি স্থান। কান ওকানের আশেপাশের অংশগুলোতে রয়েছে বহু স্নায়ুপ্রান্ত।মেয়েরা তাদের তর্জনী আর বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে ছেলেদেরকানের মূল অংশ ও লতিতে আস্তে আস্তে বুলিয়ে দিতেপারে। ঠোট ও জিহবা দিয়ে কানের লতিতে, কানের পেছনেরঅংশে স্পর্শ করা, লতিতে হাল্কা করে কামড় দেয়া ছেলেদেরজন্য বেশ Arousing. তাছাড়া মেয়েদের নিশ্বাসের শব্দ, হাল্কাশীৎকার ছেলেটির কানে গিয়ে তাকে উত্তেজিত করেতুলতে পারে। তাই মেয়েদের বলছি সেক্সের সময় আপনারমুখ দিয়ে বিভিন্ন আদুরে শব্দ বেরিয়ে আসলে তা যেনআটকানোর চেষ্টা করবেননা। ওর কানে ফিসফিস করেভালোবাসার কথা বলা, তাকে আপনি কোথায় স্পর্শ করতেযাচ্ছেন, তার কোন জিনিসটি আপনি সবচেয়ে ভালোবাসেন তাবলতে যেন সঙ্কোচ করবেন না।মুখের কালো দাগ দূর করতে রাতেঘুমানোর আগে এই কাজ গুলো করুনে

৩. ঠোট ও জিহবাঃ শুধু মেয়েদের ঠোটই নয় ছেলেদের ঠোটও তাদেরদেহের অত্যন্ত যৌনসংবেদী একটি অঙ্গ। এর সংবেদনশীলতামেয়েদের ঠোটের মতই। একটি ছেলের ঠোটে একটিমেয়ের স্পর্শ শুধুই তাকে যৌনত্তেজিত করে তোলে না বরংমেয়েটির কাছাকাছি থাকার এক অপূর্ব অনুভুতি জাগিয়ে তোলে।ঠোটের মাধ্যমে মেয়েটি তার সঙ্গী তাকে যে ভালোবাসার অনুভুতি দান করছে ঠিক একইভাবে তার প্রতিদান দিতেপারে। ছেলেরা দারুন উত্তেজিত হয় যখন একটি মেয়ে তারঠোট বিশেষ করে নিচের ঠোটটি চুষে ও হাল্কা হাল্কা কামড়দেয়। এ অবস্থায় ছেলেটির ঠোটের নিচে ও থুতনীরউপরের অবতল অংশটিতে জিহবা দিয়ে ছুয়ে দেওয়া ওর জন্যবেশ teasing. আর নিজের জিহবা ছেলেটির জিহবার সাথেলাগানো সেতো ছেলেটির জন্য আরো উত্তেজনাকর। ওরজিহবাটি চুষে দেয়া ওটার সাথে লুকোচুরি খেলা এসব কিছুই এরঅংশ। এছাড়াও চুমুতে নতুনত্ব আনার জন্য মেয়েটি চুমু খাওয়ারপূর্বে তার মুখের ভেতরে একটি ছোট বরফের টুকরো ভরে নিতে পারে; চুমু খাওয়ার সময় তা দুজনের দেহ দিয়েই আনন্দের শিহরন বইয়ে দেবে। এছাড়াও ছেলেটি নিজে কিছুকরার আগেই মেয়েটি নিজেই ছেলেটির মুখ তার নিজের গলা,গাল, বুকের ভাজ এসব Hot স্থানে নিয়ে যাওয়া ওর জন্য দারুন একটাTurn On (এর আক্ষরিক অর্থ আমার জানা নেই, বলা যেতে পারে‘উত্তেজনার শুরু’)

বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন

Loading...

৪. গলাঃ মেয়েদের মতই ছেলেদের গলাও অত্যন্ত স্পর্শকাতর। Sexual Reflexology বইটির লেখক Master Mantak Chia বলেছেন, ‘ছেলেদের গলার Adam’s Apple (ছেলেদের গলার ফোলা অংশটি) এর নিচের অংশটি দেহের বহু স্পর্শকাতর অরগানিজমের (অর্গাজম নয়, অর্গানিজম। যার অর্থ ইন্দ্রিয়) সাথে সম্পৃক্ত।’ তাই এখানে চুমু খাওয়া, জিহবা বুলিয়ে দেওয়া ও চুষা ছেলেটির জন্য দারুন Turn on. বিশেষ করে তার ঠোটে চুমুখাওয়ার পর। জোরে জোরে ছেলেটির গলায় চুমু খাওয়া, কামড়দেয়া ও চুষা তার জন্য বেশ উত্তেজনাকর হতে পারে। কিন্ত আপানারা যদি পরদিন সবাইকে জানিয়ে দিতে না চান যে রাতে কি হয়েছিল তবে ওর গলায় কামড় দেয়া ও চুষার সময় একটু নিজেকে একটু নিয়ন্ত্রন করতে হবে (এটা মেয়েদের গলায় চুষার বেলায়ও প্রযোজ্য)। কারন এভাবে চুষলে বা কামড়ালে যে লাভবাইটস (লাল দাগ) থেকে যায় তা মিলিয়ে যেতে দুই তিন দিনও লাগতে পারে। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি যদি কোন জুটি হানিমুনে বা ছুটি কাটাতে দূরে কোথাও যায়, বিশেষ করে বিদেশে, যেখানে লোকলজ্জার খুব একটা ধার না ধরলেওচলে, সেরকম কোন সময় ছেলে মেয়ে উভয়ের গলায় বাগালে এ সুন্দর টুকটুকে লাল স্পটগুলো তাদেরকে একজন-আরেকজনের প্রতি আরো বেশি আকৃষ্ট করে তুলবে। সেযাই হোক, ছেলেদের গলায় আদর করার সময় প্রথমে হাল্কাচুমু ও জিহবার আলতো স্পর্শ দিয়ে শুরু করতে হবে। তারপরআস্তে আস্তে আরো আবেগময় ভাবে উপর থেকে জিহবালাগিয়ে ওর Adam’s Apple এ নেমে আসতে হবে তবেসেখানে যেন কোন চাপ না পড়ে। সেখানে হাল্কা ভাবেঠোট দিয়ে একটু চুষে এর ঠিক নিচেই যে অংশটি আছেসেখানে বৃত্তাকারে জিহবা বুলিয়ে দিয়ে তাকে আদর করা যায়।এসময় ওর গলার নিচে, কলারবোনের উপর হাত বুলিয়ে দেয়াযেতে পারে। এছাড়াও ছেলেদের গলার পিছনদিকটাও বেশস্পর্শকাতর। আপনার সঙ্গী যখন খুব ব্যস্ততার সাথে টেবিলেবসে কাজ করছে বা কোথাও চলে যাচ্ছে তখন যাবার আগেওকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে ওর গলার পিছনে হাল্কা করেচুমু বা আদুরে কামড় দিয়ে তাকে জানিয়ে দিতে পারেন যেআপনি তাকে ভালবাসেন এবং সে না ফেরা পর্যন্ত তাকে কাছে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করবেন।যে সব কারণে পুরুষরা চিকন নারীকে পছন্দ করে

শাহরুখ খানের সাথে মেয়ে সুহানা খানের এক্সক্লুসিভ ভিডিও! মিস করবেন না

৫. বুক (Chest) ও নিপলসঃ ছেলেদের বলিষ্ঠ ও পেশীবহুল বুক তাদের পুরুষত্বেরপ্রতীক। এটি বেশ স্পর্শকাতরও বটে। এই স্থানে মেয়েদের নরম হাতের স্পর্শ তাদের জন্য অসাধারন Turn On.এখানে চুমু খাওয়া, জিহবা বুলানো, কামড়ানো ছেলেদের দারুনএক অনুভুতি সৃষ্টি করে। প্রথমে হাল্কাভাবে শুরু করে তারপরএকটু Roughly করার দিকে এগিয়ে যেতে হবে। অনেকছেলে এখানে মেয়েদের হাল্কা আদর আর অনেকে উগ্রআদর পছন্দ করে। এটা মেয়েটিকে তার সঙ্গীর প্রতিক্রিয়াদেখে বুঝে নিতে হবে। ছেলেদের নিপল অত্যন্তস্পর্শকাতর স্থান। তাই প্রথমে হাত দিয়ে নিপলস এর আশে আশেবুলিয়ে আস্তে আস্তে নিপলের কাছে যেয়ে হাতেরতর্জনী আগা দিয়ে (Finger tip) সেটা ম্যাসাজ করে দিতেপারেন। তারপর মুখ নামিয়ে প্রথমে চেস্টে জিহবা লাগিয়েকোন-আইসক্রিম এর উপরটা যেভাবে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে খাওয়া হয়সেভাবে ওর নিপলস এর দিকে আগাতে হবে। নিপলসেপ্রথমে আলতো ভাবে জিহবার আদর দিলে যদি তা ছেলেটিরভালো লাগে তবে আরো একটু জোরে জিহবা বুলিয়ে দিয়েতারপর ঠোট নামিয়ে ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের মত নিপলটা চুষা যেতেপারে। ছেলেটির চেস্টে মুখ দেয়ার আগে মেয়েটি তারমুখে একটি বরফ চুষে নিলে তার শীতল জিহবার স্পর্শছেলেটার স্পর্শকাতর নিপলস দিয়ে বিদ্যুতের মত কামনার আগুনছড়িয়ে দেবে। ছেলেটি যদি নিপলসে মেয়েটির রুক্ষ স্পর্শপছন্দ করে তবে সেখানে ছোট ছোট কামড় ও দেয়াযেতে পারে।
৬. হাটুঃ ছেলেদের হাটু সেক্সের কামনা জাগিয়ে তোলায় ও মৈথুনেরসময় সুখবৃদ্ধির জন্য বেশ কিছুটা ভুমিকা রাখে। কিভাবে ছেলে মেয়ে উভয়ের হাটুতে পা বুলিয়ে Footsie করে আনন্দপেতে পারে তা তো আগের পোস্টেই বলেছি। এ বিষয়ে তাই আর বেশি কিছু বললাম না। যখন সেক্সে মৈথুনের সময়ছেলেটি শুয়ে থাকবে ও মেয়েটি তার উপরে উলটো দিকে মুখ করে বসে থেকে উপরনিচ করবে (অর্থাৎ যে কাউগার্লসেক্স পজিশনে ছেলেটি মেয়েটির শুধু পিঠ দেখতে পাবে ও মেয়েটির সামনে ছেলেটির পা থাকে) তখন মেয়েটি মৈথুনকরতে করতে ঝুকে দুই হাত দিয়ে ছেলেটির হাটুতে হাত বুলিয়ে দিতে পারে।শুধুমাত্র পাত্রের অভাবে বিয়ে হচ্ছে নাবাংলাদেশের যে অঞ্চলের সুন্দরীমেয়েদের!!

৭. পিঠ ও কাধ (Shoulder): অনেক ছেলে নিজেই জানে না তাদের পিঠ ও কাধ কতটাযৌনস্পর্শকাতর স্থান। পিঠের কোন কোন স্থানগুলো বেশি স্পর্শকাতর সেগুলো বিভিন্ন ছেলের ক্ষেত্রে বিভিন্ন হয়।ছেলেটির সঙ্গিনী তার সেক্সের পূর্বে এমনকি ওরা ঘুমাতে শুয়েছে এমনসময়ও ওর পিঠে নিজের হাত বুলিয়ে বুলিয়ে সেস্থানগুলো আবিস্কার করতে পারে। ছেলেটি যদি কাজ থেকেফিরে অত্যন্ত ক্লান্ত থাকে অথবা একবার সেক্স করার পরক্লান্তিতে এলিয়ে পড়ে অথচ তার সঙ্গিনীর যৌন আকাঙ্খা অপুর্ন থাকে তবে মেয়েটি ওকে উজ্জীবিত করে তোলার জন্য একটি কাজ করতে পারে। ছেলেটিকে উপুর করে বিছানায় শুইয়ে তার নিতম্বের উপরের অংশ থেকে একেবারে গলা পর্যন্ত হাত দিয়ে আস্তে আস্তে ম্যাসাজ শুরু করতে হবে, তার গলা পর্যন্ত গিয়ে দুই হাত তার কাধে নিয়ে একটা চাপ দিয়ে আবার নিচে নিতম্বের উপর পর্যন্ত নামিয়ে আনতে হবে। এরকম করে তারপর মুখ নামিয়ে ওর পিঠে এমনভাবে চুমু খাওয়া শুরু করতে হবে যেন সেখানের একটি স্থানও অবহেলিত না থাকে। এরপর জিহবা বের করে নিতম্বের উপর থেকে বুলাতে বুলাতেগলায় উঠে এভাবে আদর করে, স্থানে স্থানে চুষে ও কামড় দিয়ে ছেলেটিকে উজ্জীবিত করে তোলা যায়। এই আদর সেক্সের মধ্যেও চলতে পারে। এছাড়াও ছেলেটি যখন খালি গায়ে কোথাও দাঁড়িয়ে আছে বা কিছু করছে (গুরুত্বপুর্ন কিছু নয়। এমনকিছু যেটায় ব্যঘাত ঘটলে কোন সমস্যা হবে না।), তখন তার পিছনে গিয়ে হঠাৎ করে তাকে জড়িয়ে ধরে তার ঘাড়ে চুমু খেতে থাকা, জিহবা বুলিয়ে দেয়া ওর জন্য অত্যন্ত Arousing ও

৮. উরুঃ মেয়েদের মতই ছেলেদের উরুও তাদের একটা বেশস্পর্শকাতর স্থান, বিশেষ করে ভিতরের দিকের অংশটি। কিন্ত দুঃখের বিষয় এই যে, ছেলেদের এই স্থানটা বেশিরভাগমেয়েদের দ্বারাই অবহেলিত হয়। ওরা মূলত এর নিকটবর্তী আইফেল টাওয়ারের দিকেই বেশি মনোযোগী হয়। কিন্তমেয়েটি যখন এই স্থানটিতে হাত বুলায়, চাপ দেয়, চুমু দেয়, কামড়দেয়, জিহবা দিয়ে আদর করে তখন ছেলেটি তার লিঙ্গে মেয়েটির এ আদর পাওয়ার জন্য পাগলের মত হয়ে যায়। কিন্ত ওরকথা না শুনে ওকে এভাবে tease করে তাকে উত্তেজনায়উম্মাদের মত অবস্থায় নিয়ে যাওয়া যায়।
৯. নিতম্বঃ মেয়েদের মত ছেলেদের নিতম্বও তাদের বেশস্পর্শকাতর একটি স্থান। মুলত এখানে মেয়েদের হাতেরজোর চাপ ও চাপর, নখের আচড় এগুলো ছেলেটিকে বেশউত্তেজিত করে তুলে। বিশেষ করে কিস করার সময়ছেলেটিও যখন মেয়েটির নিতম্বে হাত বুলাতে থাকবেসেসময় ওর নিতম্বে এধরনের রুক্ষ আদর ছেলেটিকে বেশউত্তেজিত করে।

১০. পেরিনিয়ামঃ ছেলেদের অন্ডথলির নিচে ও পায়ুছিদ্রের মাঝের যেই ফাকাঅংশটি রয়েছে সেটাই পেরিনিয়াম। ছেলেদের এই অঞ্চল মেয়েদেরটার চেয়ে একটু বড় হয়। এই অংশ মেয়েদের চেয়েও ছেলেদের বেশি সংবেদী, কারন এই অংশটির নিচেইরয়েছে প্রস্টেট গ্ল্যান্ড। লিঙ্গের হাত দেয়ার আগে এখানে হাত বুলানো ও চাপ দেয়া ছেলেটির জন্য দারুন

Facebook Comments

Leave a Reply