Sunday , 22 January 2017
Home / Life style / নারীর সতীত্ব পরীক্ষায় টু ফিঙ্গার টেস্ট কিভাবে করে? আপনার গার্লফ্রেন্ড বা স্ত্রী কুমারী কিনা জেনে নিন

নারীর সতীত্ব পরীক্ষায় টু ফিঙ্গার টেস্ট কিভাবে করে? আপনার গার্লফ্রেন্ড বা স্ত্রী কুমারী কিনা জেনে নিন

বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন

Loading...

চিকিৎসাপদ্ধতি অনুযায়ী পরীক্ষার সময় নারীর হাইমেনকে একটি গোলাকার ঘড়ির ফ্রেম হিসেবে দেখা হয়। ঘড়ির কাঁটার ৩ বা ১০-এর অবস্থানে যদি ধর্ষিতার হাইমেন ছেঁড়া থাকে, তবে চিকিৎসক ধরে নেন এখানে জোরাজুরি বা অসম্মতির সেক্স হয় নি। আর যদি হাইমেন নিচের দিকে অর্থাৎ ঘড়ির কাঁটার ৫ অথবা ৮-এর দিকে ছিঁড়ে, তবে চিকিৎসক এটা ঘোষণা করেন যে এই হাইমেন ছেঁড়ায় জোরারোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি টু ফিঙ্গার টেস্টে ব্যবহৃত চিকিৎসকের হাতের আঙুল তাঁর শরীরের আকার, গড়ন, ইত্যাদির ভেদে যেমন বিভিন্ন হয়, তেমনি একজন চিকিৎসক তাঁর আঙুলের বেড়ের সাপেক্ষে নিজস্ব অনুভূতিতে অনুভব করেন যে আঙুল কত সহজে বা কঠিনে যোনিপথে প্রবেশ করল।

 বলিউড সেলিব্রিটিদের নাইট পার্টির গোপন ভিডিও যা দেখে ঠিক থাকা যায় না (ভিডিও)

12

ফলে এই ভীষণ সাবজেকটিভ পরীক্ষণ পদ্ধতি কখনোই নারীর শরীরের ভিন্নতর গঠন বাস্তবতাকে নির্ণয় করবার কোনো ক্ষমতা রাখে না। বরং নারী শরীরের এই মাপজোকের সাথে নারীর যৌনসম্পর্কে অসম্মতি আছে কি নেই তার যতটা না সম্পর্ক রয়েছে, তার চাইতে ‘সত্যিকারের ধর্ষণের’ ধারণা এই মাপজোকের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণভাবে বৈজ্ঞানিক যৌক্তিকতায় প্রতিষ্ঠা পেতে থাকে। মেডিকেল পরীক্ষার সময় আমরা ধরেই নেই, ধর্ষণ হতে পারে রাতের আঁধারে, অস্ত্রের মুখে, অচেনা মানুষ কর্তৃক এবং ‘হাইমেন অক্ষত থাকা’ সমাজের ‘কুমারী’ নারীরসাথে, যা কিনা নিচের দিকে, নতুন করে হাইমেন ছিঁড়লে এবং যোনিপথ শক্তপোক্ত হলেই কেবল ঘটতে পারে। ফলে যে নারীর হাইমেন আগে ছিঁড়েছে, সে যে কারণেই হোক, যে নারী বিবাহিত, যার যোনিপথ সমাজ অনুমোদিত ‘স্বামীসঙ্গের’ কারণেও ঢিলেঢালা হয়ে পড়েছে, মেডিকেল এভিডেন্স তাঁর প্রসঙ্গে ‘হাইমেন অল্ড রেপচার’, ‘হেবিচুয়েট টু সেক্স’ এই বিশেষণগুলো ব্যবহার করবে। আর কোর্টে মেডিকেল পরীক্ষার এই অল্ড রেপচার, হেবিচুয়েট টু সেক্স বিশেষণগুলো নারীর পূর্বেকার যৌন ইতিহাসের বয়ান উপস্থিত করে, বিচারকক্ষেধরে নেয়া হয় নারীটি পূর্বেও যৌনকাজে লিপ্ত হয়েছে। ফলে তাঁর ‘সতীত্ব’ নেই, পুরুষালি আইনি পরিসর ধর্ষকের তরফ থেকে নারীর ধর্ষণকেন্দ্রিক অসম্মতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করবার সুযোগ তৈরি করে দেয় এবং এই সামাজিক ধারণাতেই বিচার প্রক্রিয়া চলতে শুরু করে ‘যে নারী কুমারী না, তার ধর্ষণ হয় কীভাবে?’ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই বিশেষণ কোনো বিশেষ বয়সের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, টু ফিঙ্গার টেস্ট কোনো বয়সের ধর্ষিতা নারীর সাথে সম্পাদন করা যাবে এ নিয়ে কোোন নীতিমালা প্রণীত হয় নি, আর তাই মেডিকেল পরীক্ষার সনদে ৮, ৬ এমনকি ৫ বছরের মেয়েশিশুও (টু ফিঙ্গার টেস্টের পরে) ‘হাইমেন ওল্ড রেপচার’, হেবিচুয়েট টু সেক্স’ এই বিশেষণে বিশেষায়িত হতে পারেন।তবে একজন চিকিৎসকই সঠিকভাবে বলতে পারেন যে, কোন মেয়ের সতীচ্ছেদ ছিড়ে গেছে কিনা। তবে এমন কিছু কিছু লক্ষণ আছে যা দ্বারা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন যে, আসলেই আপনার সতীচ্ছেদ ছিঁড়ে গেছে কিনা।

যেমন:

১. আপনার সতিচ্ছেদ পরীক্ষা করার জন্য একটি আয়না নিন। এবার দু পা ফাঁক করে আঙ্গুলের সাহায্যে ভঙ্গাকুর দুই দিকে সরিয়ে ধরুন। যদি ছোট রিং আকারের একটি পর্দা দেখতে পান, তব বুঝবেন আপনার সতীচ্ছেদ ঠিক আছে।

বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন

Loading...

২. সতীচ্ছেদ ছিঁড়ে গেলে ব্যাথা হয়, রক্তপাত হয়।যার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন যে, কবে আপনার সতীচ্ছেদ ফেটেছিল।
৩. মেয়েদের সতীচ্ছেদ যে শুধু হম্তমৈথুন ও ( সেক্স) সহবাসের ফলে নষ্ট হয় তা নয়। চাপের কোন কাজ করলে,সাঁতার, খেলাধূলা ইত্যাদি কারণেও ছিন্ন হতে পারে সতীচ্ছেদ। সতীচ্ছদ সম্পর্কিত বাস্তব বিষয়গুলি হলো : ১. প্রত্যেক ১০০০ মেয়ে বাচ্চার মধ্যে কমপক্ষে ১ জন ভুমিষ্ট হয় সতিচ্ছেদ ছাড়াই। ২. ১০০ জনের ভিতর ৪০ জন নারী প্রথম বার মিলনে রক্তপাত হয় না। ৩. সাঁতার, খেলাধূলা বা অন্য কোন কারণে সতীচ্ছেদ নষ্ট হতে পারে।

৪. সতীচ্ছেদে একটি ছোট ছিদ্র থাকে।যেটি (Periods) মাসিকের সময় Period Pain ও রক্ত ধারা প্রবাহিত হওয়ার জন্য স্বভাবিক থেকে একটু বড় হয়।

৫. যদি টেমপন’ ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তবে সতীচ্ছেদ ছিঁড়ে যেতে পারে।

৬. সতীচ্ছেদ ছিঁড়লেই যে রক্ত ক্ষরণ হবে এমন বাধ্যবধকতা নেই। রক্তক্ষরণ ছাড়াই সতীচ্ছেদ ছিঁড়ে যেতে পারে। মেয়েদের সতীত্ব ঠিক আছে কিনা এ প্রশ্ন করার আগে নিজের সতীত্ব ঠিক আছে কিনা ভেবেছেন? পুরুষতান্ত্রিক এ সমাজ ব্যবস্থায় নারীর সতীত্ব ঠিক কিনা এ প্রশ্ন করা নারীকে অপমান করার শামিল। পুরুষ বা নারীর সতীত্ব ঠিক কিনা এটা নিজেরা পারষ্পরিক বোঝাপড়া ও বিশ্বাস থেকে ঠিক করে নিন।

মেয়ে তো নয় যেন আগুনেরই গোলা, মেয়েটি কি করল দেখুন একবার [এক্সক্লুসিভ ভিডিও]

Facebook Comments

Leave a Reply