Wednesday , 22 February 2017
Home / O_O / জেনে নিন যে ৭ কারণে গর্ভের সন্তান গর্ভেই নষ্ট হয়!

জেনে নিন যে ৭ কারণে গর্ভের সন্তান গর্ভেই নষ্ট হয়!

বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন

Loading...

জেনে নিন যে ৭ কারণে গর্ভের সন্তান গর্ভেই নষ্ট হয়!

মিসক্যারেজ বা গর্ভপাত নতুন কিছু নয়। যুগযুগ ধরে এই অভিশাপের মুখে পড়েছেন হবু মায়েরা। তাঁদের গর্ভের সন্তান গর্ভেই নষ্ট হয়ে গেছে। আর সে পৃথিবীর মুখ দেখতে পায়নি। তাই আজও মা হওয়ার সুখবর পেলেও মনের মধ্যে ধরাস করে ওঠে অনেকের।

ইউটিউব মাতাচ্ছে হ্যাপির নতুন হট আইটেম গান! [ভিডিও সহ] More stats
মুখের অনাকাঙ্ক্ষিত কালো দাগ দূর করার ৩ টি সহজ উপায় More stats
মানুষ প্রেমে পড়ে কেন ? জেনে নিন এই অজানা রহস্য More stats
৫টি খাবার যা ভায়াগ্রার চেয়ে বেশি কার্যকর! More stats

ন’মাস ধরে তিলেতিলে সন্তানকে পেটে বড় করে তাকে জন্ম দেওয়ার আনন্দের চেয়েও গর্ভপাতের আতঙ্ক বড় হয়ে ওঠে। আর সেই আতঙ্কের অন্যতম হল গর্ভপাত। মিসক্যারেজ। কারও কারও লাগাতার গর্ভপাত হওয়ার কারণে সন্তান ধারণের ক্ষমতাই হারিয়ে যায়। তাই গর্ভপাতের কারণগুলি জেনে নেওয়া দরকার-

 

ক্রোমোজ়োমের অস্বাভাবিকতা:
মিসিসিপি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারের প্রধান ডাঃ ব্রায়েন কাওয়ান জানান, ৬০ শতাংশ গর্ভপাত হয় ক্রোমোজ়োমের অস্বাভাবিকতার কারণে। ক্রোমোজ়োম হল শরীরের সেই সূক্ষ্ম জিনিস যার প্রতিটি কোশ আমাদের জিন বহন করে। মানব শরীরে ক্রোমোজ়োমের ২৩টি জোড়া আছে।

একটি আসে মায়ের থেকে, আরেকটি আসে বাবার থেকে। যখন ডিম্বাণু (বাবার শরীর থেকে আসে) ও শুক্রাণু (মায়ের শরীর থেকে আসে) মিলিত হয়, অনেকক্ষেত্রেই ক্রোমোজ়োমগুলি ঠিকমতো সারিবদ্ধ হতে পারে না। তখনই ক্রোমোজ়়োমের অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়। এবং গর্ভপাত ঘটে। এরকম বারবার হতে থাকলে সেই দম্পতি কোনওদিনই সন্তানকে জন্ম দিতে পারে না।

 

জরায়ুসংক্রান্ত জটিলতা:
জরায়ুর আকারে অস্বাভাবিকতা থাকলে (ডাক্তারি ভাষায় যাকে বলে ইউটেরাইন সেপটাম) ভ্রূণ সেখানে বেড়ে উঠতে পারে না বা সেখান থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্য পায় না। ফলে মিসক্যারেজ হওয়ার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়।

 

Loading...

গর্ভের সন্তানের সঙ্গে একাত্ম না হওয়া:
গর্ভের সন্তানের প্রতি যথেষ্ট যত্নবান না হলে তাকে হারাতে হতে পারে। এমনও দেখা গেছে মা যদি সন্তান ধারণা করতে অস্বীকার করেন, গর্ভেই তাঁর সন্তানের মৃত্যু ঘটে।

 

থাইরয়েড বা ডায়াবিটিজ়:
জরায়ুকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে থাইরয়েড ও ডায়াবিটিজ়। যার ফলে গর্ভে সন্তানকে বাঁচিয়ে রাখা মুশকিল হয়ে ওঠে।

পলিসিস্টিক ওভারি:
পলিসিস্টিক ওভারি থাকার কারণে নারীশরীরে অতিরিক্ত মাত্রায় পুরুষ হরমোন টেস্টোস্টেরন নিঃসরিত হতে থাকে। যার ফলে অনিয়মিত পিরিয়েড ও ওভিউলেশন হয়। এসবও মিসক্যারেজ ঘটাতে পারে।

 

জীবাণুর সংক্রমণ:
নারী ও পুরুষের শরীরে অসংখ্য জীবাণু বাসা বেঁধে থাকে। সেগুলি শরীরের তেমন ক্ষতি করে না। কিন্তু গর্ভধারণ করলে সেই সব নিরীহ জীবাণুরাও ক্ষতিকারক রূপ ধারণ করতে পারে। সেই জীবাণুগুলির মধ্যে সবচেয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে মাইকোপ্লাজ়মা হোমিনিস ও ইউরিয়াপ্লাজ়মা ইউরিয়ালাইটিকাম। এরা থাকে নারী ও পুরুষের যৌনাঙ্গে। গর্ভধারণের পর এরা নারীশরীরে এন্ডোমেট্রিয়াম (জরায়ুর লাইনিং) ফুলিয়ে দেয়। ফলে ভ্রূণ বেড়ে উঠতে পারে না। অসময় গর্ভপাত হয়।

 

ধূমপান, মদ্যপান, ড্রাগ:
দেখা যায়, যাঁরা ধূমপান করেন, তাঁদের মধ্যে গর্ভপাতের পরিমাণটা দ্বিগুণ। একই ভাবে যাঁরা রোজ দিনে দু’বার মদ্যপান করেন, তাঁদেরও গর্ভপাত বেশি হয়।

Facebook Comments

Leave a Reply