গত ১০ বছরে দেশে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দ্বিগুণে পৌঁছেছে। আক্রান্তদের অর্ধেকই জানেন না তারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন। স্বল্প বয়সীদের মধ্যে রোগের বিস্তার হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনিসহ নানা জটিলতার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলছে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
রোগীদের অর্ধেকের বেশি জানেন না তারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। স্বল্প বয়সীরাও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ায় বাড়ছে হৃদরোগ, স্ট্রোক ও কিডনিসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি।
ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অধ্যাপক ডা. সাহেলা নাসরিন বলেন, ‘ডায়াবেটিস মাথা থেকে শুরু করে পা পর্যন্ত ধরে। প্রথমে ব্রেনে স্ট্রোক হতে পারে। এরপর অন্ধত্ব সৃষ্টি করতে পারে, হার্টে ব্লক এমনকি হার্ট ফেইলিওর হতে পারে, কিডনির বিভিন্ন রোগ এবং মারাত্মক পর্যায়ে ডায়ালাইসিস পর্যন্ত লাগতে পারে।’
বাংলাদেশ ডায়াবেটিস সমিতির হিসাবে, ২০১৫ সালে দেশে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিল প্রায় ৩৫ লাখ। ২০২৫ সালে এসে এ সংখ্যা পৌঁছেছে ৬৫ লাখে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা বলছেন, কায়িক পরিশ্রমের অভাব, খাদ্যাভ্যাস, ঘুমের অভাব ও অসচেতনতার কারণে দেশে বাড়ছে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা। সঠিক সময়ে চিকিৎসায় ৭০ ভাগ রোগী সুস্থ জীবন যাপন করতে পারে। বয়স ৩৫ হওয়ার পর বছরে একবার অন্তত স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
বারডেম জেনারেল হাসপাতাল পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফারুক পাঠান বলেন, ‘লাইফস্টাইল চেঞ্জ করতে হবে। কায়িক শ্রম না বাড়ালে সুগার নিয়ন্ত্রণ হবে না। হেলদি ডায়েট না অনুসরণ করলে ওষুধ খেয়ে হবে না।’