মক ভোটিংয়ে একজন ভোটার কেন্দ্রে কী ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন, একজন ভোটারের ভোট দিতে কত সময়ের প্রয়োজন হবে, ভোটকেন্দ্রের ব্যবস্থাপনায় কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া দরকার–এসব বিষয় দেখবেন নির্বাচন কমিশনাররা। একইসঙ্গে বয়স্ক, গর্ভবতী নারী ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ভোটকক্ষে কী ধরনের ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন হয়, সেটাও পরীক্ষা করা হবে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, এই মহড়ার মাধ্যমে ভোটগ্রহণ পদ্ধতি, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কর্মীদের সক্ষমতা যাচাই করা হবে।
ইসি সচিব বলেন, রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শের-ই-বাংলা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই মক ভোটিং চলবে।
গণভোট নিয়ে ইসির মানসিক প্রস্তুতি আগেই ছিল জানিয়ে আখতার আহমেদ বলেন, আইনের আগেই নির্বাচন কমিশন গণভোটের প্রস্তুতি নিয়েছে। মক ভোটিংয়ের পরেই সিদ্ধান্ত আসবে গণভোটের জন্য অতিরিক্ত প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে কি না।
ইসি সূত্রে জানা যায়, সত্যিকারের নির্বাচনের মতোই ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, পোলিং এজেন্ট ও ভোটার সবই থাকবে এই মক ভোটিংয়ে। নিয়ম অনুযায়ী ভোটাররা লাইন ধরে ভোটও দেবেন। শুধু থাকবে না রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর নাম ও প্রতীক।
নির্বাচনের নিয়ম অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ থেকে শুরু করে ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত সব আনুষ্ঠানিকতা থাকবে মক ভোটিংয়ে।