প্রসঙ্গত, একসময় মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতাটি ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের মালিকানাধীন। ২০২২ সালে অ্যান জাকাপং জাকরাজুততিপের জেকেএন গ্লোবাল গ্রুপ এটি ২০ মিলিয়ন ডলারে কিনে নেয় এবং পরে অর্ধেক শেয়ার ১৬ মিলিয়ন ডলারে মেক্সিকোর লেগ্যাসি হোল্ডিং গ্রুপ ইউএসএর কাছে বিক্রি করে।
প্রতারণার অভিযোগে ‘মিস ইউনিভার্স’ প্রতিযোগিতার সহ-মালিক ও থাই মিডিয়া উদ্যোক্তা অ্যান জাকাপং জাকরাজুততিপের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।থাইল্যান্ডের একটি আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। খবর এসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি)।
এর আগে, জাকরাজুততিপের বিরুদ্ধে প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার ডলার (৩০ মিলিয়ন বাত) প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছিল এবং ২০২৩ সালে তিনি জামিনে মুক্তি পান। ব্যাংককের একটি আদালতে তাঁর হাজিরা দেওয়া কথা ছিল, কিন্তু অবশেষে হাজির হতে ব্যর্থ হন।
ব্যাংকক দক্ষিণ জেলা আদালতের এক বিবৃতি অনুসারে, যেহেতু জাকরাজুততিপ তাঁর অনুপস্থিতির বিষয়ে আদালতকে অবহিত করেননি, তাই তিনি পালিয়ে যাবেন বলে মনে করা হয়েছিল।
স্বামীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ, সংসার ভাঙছে সেলিনার?স্বামীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ, সংসার ভাঙছে সেলিনার?
আয়োজকদের ক্ষোভ ও যৌনতাবাদের অভিযোগসহ একাধিক কেলেঙ্কারির পর গত সপ্তাহে মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতার পর্দা নেমেছে। তবে এবারের আসরে মিস মেক্সিকো বিজয়ী ঘোষণার পর নতুন করে ঝড় বয়ে যায় জাকরাজুততিপকে ঘিরে। তাঁর মালিকানাধীন জেকেএন গ্লোবাল গ্রুপ প্রতিযোগিতাটির সহ-মালিক।
জেকেএন-এ বিনিয়োগ-সংক্রান্ত বিষয়ে এই উদ্যোক্তার বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও তথ্য গোপন করার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন একজন প্লাস্টিক সার্জন। সেই মামলার প্রেক্ষিতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন দক্ষিণ ব্যাংককের সিভিল কোর্ট। এ ছাড়া নতুন করে আগামী ২৬ ডিসেম্বর রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, চলমান আর্থিক সংকটের মাঝেই জাকরাজুততিপ নাকি মেক্সিকো চলে গেছেন! অন্যদিকে, মিস ইউনিভার্স কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই আইনি প্রক্রিয়া তাঁদের প্রতিযোগিতা পরিচালনা বা দৈনন্দিন কার্যক্রমের সঙ্গে ‘সম্পূর্ণ অসংশ্লিষ্ট’।
বড়পর্দায় নাম লেখালেন ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ তোরসাবড়পর্দায় নাম লেখালেন ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ তোরসা
ব্যাংককে সম্প্রতি শেষ হওয়া মিস ইউনিভার্স-২০২৫ প্রতিযোগিতা ছিল নানা বিতর্কে ভরা। লাইভ অনুষ্ঠানে এক পুরুষ সঞ্চালকের আচরণ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়, যখন তিনি বিজয়ী মিস মেক্সিকো ফাতিমা বোশকে প্রচারমূলক কনটেন্ট পোস্ট না করায় অপমানজনক মন্তব্য করেন। এতে বোশসহ অনেক প্রতিযোগী মঞ্চ ত্যাগ করেন। পরে সঞ্চালক এক সংবাদ সম্মেলনে কাঁদতে কাঁদতে ক্ষমা চান। ঘটনাটি নজর কাড়ে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবামেরও।